বিপরীত স্রোত প্রতিবেদন
সম্প্রতি বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের ইতিহাসে আপতদৃষ্টিতে ছোট কিন্তু একটি মাইলফলক উদ্যোগ হিসেবে ৯ থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২১ সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) উদ্যোগে এবং ইউসিবি স্টক ব্রোকারেজের পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত হয় ‘দি রাইজ অফ বেঙ্গল টাইগার: পটেনশিয়াল অফ বাংলাদেশ ক্যাপিটাল মার্কেটস’ শীর্ষক রোড শোসহ বিভিন্ন ইভেন্ট। দেশের বাইরে এই ধরনের উদ্যোগ এই প্রথম। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলামের দূরদর্শী উদ্যোগের সহযোগী হিসেবে পাশে দাঁড়ায় ইউসিবি স্টক ব্রোকারেজ লিমিটেড। তাকে যোগ্য সহযোগিতা করে দুই সহযোগী প্রতিষ্ঠান ইউসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড ও ইউসিবি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড। পুরো অনুষ্ঠানের আয়োজন বিষয়ে বিপরীত স্রোত জানতে চেয়েছিল এই তিন প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের কাছে। তারা হলেন ইউসিবি স্টক ব্রোকারেজ লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার মোহাম্মদ রহমত পাশা, ইউসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড-এর চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার শেখ মোহাম্মদ রাশেদুল হাসান এবং ইউসিবি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড-এর চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার তানজিম আলমগীর।
দুবাই ইভেন্ট নিয়ে প্রশ্ন
দি রাইজ অফ বেঙ্গল টাইগার উদ্যোগ নিয়ে যে প্রশ্নগুলো তাদের করা হয়েছিল:
১. বাংলাদেশের বাইরে দুবাইয়ে এ ধরনের একটি উদ্যোগ এই প্রথম। ইউসিবি স্টক ব্রোকারেজ কোন অনুপ্রেরনা থেকে এ ধরনের একটি উদ্যোগ গ্রহণ করেছে?
২.‘রাইজ অফ বেঙ্গল টাইগার’-এর মতো এত বৃহৎ আয়োজনের প্রস্তুতিতে বাংলাদেশ সরকার এর কী ধরনের বা কতটুকু সহযোগিতা পেয়েছেন?
৩. এই আয়োজন সম্পর্কে বা আয়োজক বিএসইসিকে নিয়ে যদি কিছু বলতেন।
৪. পুর্বে প্রবাসীদের অর্থ দেশে আসলেও বেশিরভাগক্ষেত্রেই বিনিয়োগে প্রয়োগ হতো না। এ উদ্যোগের ফলে প্রবাসীরা (দুবাই-এর) বাংলাদেশে সরাসরি বিনিয়োগের সুযোগ পেয়েছেন। তবে তারা এ বিনিয়োগ সম্পর্কে কতখানি সচেতন?
৫. দুবাই-এ সাধারণ এনআরবি কারো সাথে আপনার ব্যক্তিগতভাবে কথা হয়েছে কিনা, হয়ে থাকলে তাদের কাছ থেকে কী
ধরনের প্রতিক্রিয়া পেয়েছেন?
৬. এনআরবি ইনভেস্টমেন্ট ছাড়াও আরো দুটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। তার মধ্যে একটি সুকুক। এটি নিয়ে আপনাদের চিন্তা কী?
৭. প্রাইভেট ইকুইটি ও ভেঞ্চার ক্যাপিটাল নিয়ে যদি কিছু বলতেন।
৮. এই ইভেন্টে আপনার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা কেমন বা আপনার কোনো প্রিয় মুহূর্ত?
৯. উপস্থিত বিনিয়োগকারীদের প্রতিক্রিয়া আপনারা দেখতে পেরেছেন। তবে যারা অনলাইনে যুক্ত ছিলেন তাদের প্রতিক্রিয়া কী?
১০. অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অনেক মহারথিগণ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান সম্পর্কে তাদের প্রতিক্রিয়া কেমন ছিল?
১১. আপনাদের মতে এই ইভেন্টটি কতখানি সফল হয়েছে বলে মনে করেন?
১২. দুবাই-এর পর বিশ্বের আর কোনো দেশে এ ধরনের আয়োজন বা ডিজিটাল বুথ স্থাপনের কোনো সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা আছে কিনা?
অনুষ্ঠানটি নিয়ে সবার আগ্রহ ছিল
মোহাম্মদ রহমত পাশা
ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ
এক্সিকিউটিভ অফিসার
ইউসিবি
স্টক
ব্রোকারেজ লিমিটেড
সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন
চিন্তা
করছিল
দেশের
ভেতর
এবং
বিদেশে
ব্রোকারেজ হাউজগুলোকে ডিজিটাল বুথ
স্থাপনের অনুমতি
দেবে।
আমরা
আগে
থেকেই
ভাবছিলাম কীভাবে
দেশের
বাইরে
এই
ধরনের
সুবিধা
দেয়া
যায়।
কারণ
আমাদের
বিপুল
সংখ্যক
প্রবাসীর একটি
বড়
অংশ
দেশে
বিনিয়োগে আগ্রহী। কিন্তু
তারা
যথাযথ
মাধ্যম
খুঁজে
পান
না
যে
কোথায়
বিনিয়োগ করবেন।
পুঁজিবাজারে বিনিয়োগে কোনো
আউটলেট
বা
বুথ
না
থাকায়
তাদের
সরাসরি
বিনিয়োগ করা
এবং
পুঁজিবাজারে অংশগ্রহণ করার
কোনো
সুযোগ
ছিল
না।
যার
ফলে
এই
প্রক্রিয়ার সংস্পর্শে তারা
আসতে
পারেন
না।
এমন
একটি
অবস্থায় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান প্রফেসর শিবলী
রুবাইয়াত-উল-ইসলাম একটি দূরদর্শী সিদ্ধান্ত গ্রহণ
করেন।
তিনি
একটি
গাইডলাইন দেন।
আমরা
সেই
গাইডলাইনের ভিত্তিতে আমাদের
পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নের সুযোগ
পাই।
আমাদের
আগে
থেকেই
পরিকল্পনা ছিল
যদি
দেশের
বাইরে
এই
সুবিধা
পৌঁছে
দেয়ার
উদ্যোগ
নেয়া
হয়
তবে
আমরা
সেটা
শুরু
করবো
দুবাই
থেকে।
কারণ
দুবাই
হচ্ছে
এমন
একটি
হাব
যেখানে
বিনিয়োগে আগ্রহীদের জন্য
অনেক
সুবিধা
দেয়া
হয়।
বিএসইসি চেয়ারম্যানের কাছে
প্রস্তাব দেয়ার
সাথে
সাথে
তিনি
বিষয়টি
পছন্দ
করেন
এবং
এ
বিষয়টি
নিয়ে
দ্রুত
আমাদের
অগ্রসর
হতে
বলেন। তিনি আমাদের
কাজের
ক্ষেত্রকে আরো
বাড়িয়ে
চিন্তা
করতে
বলেন।
তিনি
সেখানে
সুকুক
নিয়ে
কাজ
করার
পাশাপাশি বিদেশি
বিনিয়োগকারীদেরও উৎসাহিত করার
সুযোগকে কাজে
লাগানোর প্রস্তাব দেন।
একই
সাথে
ভেঞ্চার ক্যাপিটালের বিশাল
ক্ষেত্রটিকেও কাজে
লাগানোর বিষয়টিও সামনে
চলে
আসে।
সারা
পৃথিবীতেই এখন
বিনিয়োগের ক্ষেত্র কমে
যাওয়া
এবং
রিটার্ন অফ
ইনভেস্টমেন্ট কমে
যাওয়ায়
আমাদের
এই
উদ্যোগ
কার্যকর হবে
বলে
আমরা
মনে
করি।
‘দি রাইজ অফ বেঙ্গল টাইগার: পটেনশিয়াল অফ বাংলাদেশ ক্যাপিটাল মার্কেটস’ শিরোনামের দুবাইয়ে আমাদের প্রোগ্রামটি চার ভাগে ভাগ করি। বাংলাদেশের প্রবাসীদের জন্য বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের সুযোগ, বিদেশিদের জন্য বিনিয়োগের সম্ভাবনা তৈরি করা ও সুবিধাগুলো তুলে ধরা, সুকুকের জন্য যে সব বাধা আছে তা কীভাবে দূর করা যায় এবং ভেঞ্চার ক্যাপিটাল সম্ভাবনা নিয়ে। বিদেশি বিনিয়োগকারী এবং ভেঞ্চার ক্যাপিটাল নিয়ে বিদেশিদের মধ্যে বেশ ভালো উৎসাহ আমরা দেখতে পাই। এর পাশপাশি রোড শো-র আয়োজন করা হয়। আমরা বিশ্বাস করি এই সব তথ্যের ভিত্তিতে বিনিয়োগকারীগণ বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী হবেন। আমরা একশর বেশি প্রবাসী বাংলাদেশি বিনিয়োগকারীর সাথে কথা বলেছি যারা দেশে ইনভেস্ট করতে চান। আমরা সেখানে যে বুথ খুলেছি সেখানে অনেকেই অ্যাকাউন্ট খুলেছেন। বিশেষ করে সিকিউরিটি এক্সচেঞ্জ কমিশন অনলাইনে বিও অ্যাকাউন্ট খোলার সুযোগ করে দেয়ায় প্রবাসীরা অভিভূত হয়েছেন। অনেকে আমাদের সাথে যোগাযোগ করছেন। সেখানে তাদের সঙ্গে দলগত এবং ব্যক্তিগত ভাবে কথা বলার সুযোগ হয়েছে। বিশেষ করে সেখানে প্রবাসী ব্যবসায়ী নেতা মাহতাব সাহেব আমাদের খুবই সহযোগিতা করেন। তিনি নিজে এক কোটি টাকার চেক দিয়ে প্রথম বিও হিসাব খোলেন।
পুরো
অনুষ্ঠানটি পরিকল্পনা করেছে
বাংলাদেশ সরকার
এবং
তা
কার্যকর করেছে
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন।
আমরা
পৃষ্ঠপোষকতা করেছি।
পুরো
প্রোগ্রামটি ঘিরে
আমার
ভালো
লাগার
জায়গাটি হচ্ছে
অনুষ্ঠানটি নিয়ে
সবার
আগ্রহের দিকটি।
অনুষ্ঠানটির ঘোষণা
দেয়ার
পর
থেকেই
এতো
বেশি
মানুষ
এতে
অংশ
নিতে
চেয়েছেন তা
দেখে
আমরা
অভিভূত
হয়েছি।
যদিও
বিশ^ব্যাপী কোভিডের প্রাদুর্ভাবের কারণে
প্রতিটি অনুষ্ঠানে অতিথির
সংখ্যা
সীমিত
রাখতে
হয়েছে
কিন্তু
সবার
আগ্রহ
ছিল
লক্ষণীয়। প্রতিটি দিনেই
নতুন
অভিজ্ঞতা হয়েছে।
নানা
প্রশ্ন
এবং
কৌতুহল
দেখেছি। সবাই
বলেছেন
অনুষ্ঠানটি ছিল
আন্তর্জাতিক মানের।যা বাংলাদেশের ভাবমূর্তিকে
উজ্জ্বল করেছে ।
দুবাইয়ে আমাদের
এই
উদ্যোগ
নিয়ে
আমরা
আশাবাদী। যদিও
কোভিডের কারণে
আমরা
সরাসরি
তেমন
একটা
যোগাযোগ করতে
পারছি
না।
তবে
সকলের
আগ্রহের কারণে
এটিকে
আমরা
পাইলট
প্রজেক্ট হিসেবে
দেখছি।
এক
বছর
আমরা
এর
ব্যবসার প্রবৃদ্ধি দেখবো।
এরপর
তা
যদি
ইতিবাচক হয়
তবে
পৃথিবীর অন্যান্য দেশের
এ
ধরনের
বুথ
স্থাপন
ও
উদ্যোগ
নেয়ার
ইচ্ছে
আমাদের
আছে।
সরকারের পক্ষ থেকে আমরা আশাতীত সহযোগিতা পেয়েছি
শেখ
মোহাম্মদ রাশেদুল হাসান
চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার
ইউসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড
আমরা
দেখতে
পেয়েছি,
বাংলাদেশের ক্যাপিটাল মার্কেটে যারা
বিনিয়োগ করেন
বা
যাদের
আগ্রহ
আছে
তা
সবসময়ই
বাংলাদেশ কেন্দ্রিক। কিন্তু
আমরা
জানি
বিদেশে
যারা
আমাদের
কর্মজীবী ভাইয়েরা আছেন
তারা
পরিশ্রম করে
আমাদের
রেমটেন্সের টাকা
পাঠান।
আমরা
চাচ্ছিলাম যে,
সেই
রেমটেন্সের টাকা
তারা
যেন
সরাসরি
বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে
পারেন
এ
ধরনের
একটি
প্ল্যাটফর্ম গড়ে
তুলতে।
এতে
একদিকে
যেমন
বিদেশে
কর্মজীবী ভাইয়েদের জন্য একটি চমৎকার বিনিয়োগ করার
জায়গা
হবে,
অন্যদিকে ইউসিবির সাবসিডিয়ারি হিসেবে
স্টক
ব্রোকারেজের জন্যও
একটি
অন্যতম
অ্যাচিভমেন্ট হবে
যে
তারা
দেশের
সীমানা
পেরিয়ে
বাইরে
থেকেও
বাংলাদেশ পুঁজিবাজারে ফান্ড
আনতে
সক্ষম
হয়েছে।
এ
কারণেই
মূলত
এধরনের
একটি
উদ্যোগ
গ্রহণ
করা।
এ
আয়োজনে
বাংলাদেশ সরকার
থেকে
আমরা
আশাতীত
সহযোগিতা পেয়েছি। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন
একটি
সম্পুর্ণ রূপে
সরকারি
প্রতিষ্ঠান হওয়া
সত্ত্বেও তারা
কোনো
অংশেই
প্রাইভেট অর্গানাইজেশন থেকে
এফিসিয়েন্সি এর
দিক
থেকে
কম
ছিল
না।
তারা
এ
অনুষ্ঠানটি যেভাবে
অর্গানাইজ করেছে,
সবাইকে
উজ্জীবিত করেছে
এবং
তিন
দিনব্যাপী একটি
আয়োজনে
যেভাবে
দর্শক
এবং
বিনিয়োগকারীদের ধরে
রেখেছে
তা
সত্যি প্রশংসনীয়। তাছাড়া
বিএসইসি থেকে
এর
আগেও
আমরা
অনেক
সহযোগিতা পেয়েছি,
তবে
এবারে
যে
সহযোগিতা সরকার
এবং
বিএসইসি থেকে
আমরা
পেয়েছি
তা
সত্যি
চমৎকার।
বিএসইসি যে
একটি
নতুন
উদ্যোগ
বা
অনুষ্ঠান করেছেন
শুধু
মাত্র
বাংলাদেশ পুঁজিবাজারের উদ্দেশ্যে নয়,
পুরো
বাংলাদেশকেই মূলত
তারা
তুলে
ধরেছেন। কেন
বাংলাদেশ একটি
ভবিষ্যৎ বিনিয়োগের জায়গা,
কেন
এখনই
বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে
হবে।
শুধু
পুঁজিবাজার প্রোডাক্ট বা
সার্ভিস নিয়েই
তারা
সেখানে
কথা
বলেন
নি,
ইনফ্রাসট্রাকচার ফাইন্যান্স থেকে
শুরু
করে
অনেকগুলো খাত
আছে
যে
খাতগুলোর ক্ষেত্রে তারা
মনে করছেন বাংলাদেশ একটি
বিনিয়োগের অন্যতম
স্থান
হতে
পারে।
এবং
এ
বিষয়গুলো সেখানে
হাইলাইটেড হয়েছে।
আমরা
খুব
কৃতজ্ঞ
বিএসইসির কাছে,
এ
ধরনের
একটি
পদক্ষেপ নেয়ার
জন্য
এবং
তার
অসাধারণ এক্সিকিউশন করার
জন্য।
পদক্ষেপ হয়ত
অনেকেই
নিতে
পারেন,
তবে
তার
সঠিক
এক্সিকিউশন করাটা
খুব
গুরুত্বপূর্ণ; যা
দুবাই
প্রজেক্টে বিএসইসি অসাধারণ ভাবে করে
দেখিয়েছে।
আমরা
এই
আয়োজনের মাধমে
এনআরবিদের থেকে
চমৎকার
সাড়া
বা
প্রতিক্রিয়া পেয়েছি। তাদের
কথা
মাথায়
রেখে
ইউসিবি
স্টক
ব্রোকারেজ এবং
বিএসইসি যে
এধরনের
একটি
আয়োজন
করেছে
তাই
তারা
সাধুবাদও জানিয়েছেন। ওমান এবং কাতার
থেকেও
আমরা
বেশ
কিছু
এনআরবিদের রেসপন্স পেয়েছি
যারা
চাইছে
তাদের
ওখানেও
যেন
ডিজিটাল বুথ
স্থাপনের এ ধরনের উদ্যোগ
নেয়া
হয়।
সব
মিলিয়ে
এ
আয়োজনের মধ্য
দিয়ে
আমরা
চমৎকার
সাড়া
পেয়েছি। বেশ
কিছু
ইন্সটিটিউশনাল এবং
ইন্ডিভিজুয়াল ক্যাপাসিটিতে যারা
বিনিয়োগ করতে
চান
তাদের
সাথে
বেশ
ফলপ্রসু আলোচনা
হয়েছে
এবং
বাংলাদেশে বিনিয়োগের ব্যপারে তাদের
যথেষ্ঠ
আগ্রহ
আমরা
দেখতে
পেয়েছি।
এ
আয়োজনে
এনআরবি
বিনিয়োগ ছাড়াও
আরো
দুইটি
বিষয়ে
সেমিনার হয়েছে।
তার
মধ্যে
একটি
সুকুক।
বাংলাদেশের মতো
মুসলিম
সংখ্যাগরিষ্ঠ একটি
দেশে
আমরা
মনে
করি
সুকুক
একটি
জনপ্রিয় প্রোডাক্ট হতে
পারে।
যারা
শরীয়াহ
ভিত্তিক বিনিয়োগ করতে
চান
তাদের
জন্য
আমার
মনে
হয়
সুকুক
একটি
চমৎকার
একটি উদাহরণ হতে
পারে।
সুকুকের এই
আয়োজনে
ইউসিবি
ইনভেস্টমেন্ট থেকে
তানজিম
আলমগীর
সুকুক-এর ওপর একটি প্রেজেন্টেশন দিয়েছিলেন, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক-এর
স্পেশালিস্ট যারা
ছিলেন
বা
আরো
ফরেন
ইনভেস্টর যারা
ছিলেন
তারা
তাদের
অভিজ্ঞতা শেয়ার
করেছিলেন। এবং
তার
পরপরই
বেক্সিমকো গ্রুপ
সুকুক
এর
মাধ্যমে ৩০০০
কোটি
টাকা
তুলতে
চেয়েছেন। শুধু
এরকম
না
বিষয়টা
যে
আমরা
শুধু
আলোচনা
করেই
চলে
এসেছি,
এই
আয়োজন
পরবর্তী কাজও
কিন্তু
শুরু
হয়ে
গেছে।
তাই
বলতে
হয়
সুকুক
নিয়ে
আলোচনার টাইমিং
খুব
ভালো
ছিল।
ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ও
প্রাইভেট ইকুইটির দিনটিও
আমাদের
জন্য
একটি
চমৎকার
দিন
ছিল।
শামীম
আহসান
এ
বিষয়ে
একটি
প্রেজেন্টেশন দিয়েছিলেন, আমি
নিজে
একটা
প্রেজেন্টেশন দিয়েছিলাম। আমরা
দেখিয়েছিলাম ভারতের
তুলনায়
বাংলাদেশে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল এবং
প্রাইভেট ইকুইটিতে খুব
কম
ফান্ড
রেইজ
হচ্ছে।
আমরা
মনে
করি
১৬
কোটি
মানুষের একটি
দেশে,
যেখানে
বেশিরভাগ তরুণ
সমাজ
এবং
বাংলাদেশের মানুষ
যেহেতু
অত্যুৎসাহী, পাশাপাশি ইনকুইজিটিভ নেচারের। আমাদের
দেশে
ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ও
প্রাইভেট ইকুইটির একটি
চমৎকার
ক্ষেত্র আছে।পলিসি মেকারদের এখন
এই
সেক্টরকে আরো
ফেসিলিটেট করতে
হবে।
তবে
এই
সেক্টরে নিয়েও
আমাদের
বেশ
আশা
আছে।
আয়োজনের প্রত্যেকটা দিন
আমাদের
জন্য
খুব
গুরুত্বপুর্ণ ছিল।
একেকটি
দিন
একেক
আঙ্গিকে সাজানো
ছিল।
তবে
ব্যাক্তিগত ভাবে
আমার
কাছে
প্রথম
দিনটির
ভালোলাগা অন্যরকম ছিল।
যেহেতু
প্রথম
দুদিনের আয়োজনের সঞ্চালনায় আমি
ছিলাম
এবং
প্রথম
দিন
এনআরবি
বিনিয়োগকারীদের নিয়ে
ছিল।
এ
আয়োজন
কোনো
স্পেসিফিক বিষয়ে
ছিল
না,
পুরো
বাংলাদেশ নিয়ে
ছিল।
ভাষা
শহীদদের প্রতি
সম্মান
জানিয়ে
প্রথম
পর্বটি
ছিল
বাংলায়
এবং
ফরেন
বিনিয়োগকারীদের জন্য
দ্বিতীয় পর্বটি
ছিল
ইংরেজিতে। এবং
তুলনামূলক প্রথম
দিনের
আয়োজনটি বড়ও
ছিল,
প্রায়
২০০
জন
উপস্থিত ছিলেন।
তো
সব
মিলিয়ে
প্রথম
দিনটি
আমার
কাছে
খুব
বিশেষ
ছিল।
অনুষ্ঠানে অনেক
আর্থিক
প্রতিষ্ঠানের মহারথিগণ উপস্থিত ছিলেন,
তাদের
প্রতিক্রিয়াও বেশ
চমৎকার
ছিল।
তারা
দুটি
বিষয়ে
আমাদের
সাধুবাদ জানিয়েছেন। এরকম
একটি
মহামারি সময়ে
বিএসইসি যে
এধরনের
একটি
আয়োজন
করেছে
এবং
ইউসিবি
স্টক
ব্রোকারেজ তার
পৃষ্ঠপোষকতা করে
একটি
সাহসিকতার পরিচয়
দিয়েছে। তাছাড়া
পুরো
অনুষ্ঠানের দায়িত্বে যেহেতু
বিএসইসি এবং
ইউসিবি
স্টক
ব্রোকারেজ ছিল,
তারা
এটারো
প্রশংসা করেছে
যে,
যেভাবে
পুরো
অনুষ্ঠানটি অর্গানাইজ করা
হয়েছে,
একটির
পর
একটি
পর্ব
সাজানো
হয়েছে
তা
কোনো
মাল্টিনেশনাল অর্গানাইজেশন থেকে
কম
ছিল
না।
আগে
ধারণা
ছিল
যে
শুধু
মাল্টিনেশনাল অর্গানাইজেশনই হয়ত
এধরনের
আয়োজন
চমৎকার
ভাবে
করতে
পারে।
তবে ইউসিবি সে
ধারণাকে ভেঙ্গে
দিয়েছে। ইউসিবির পুরো
টিমকেই
তারা
সাধুবাদ জানিয়েছেন এধরনের
একটি
আয়োজন
সফল
ভাবে
সম্পাদন করার
জন্য।
এ
ধরনের
আয়োজনের ইচ্ছে
বা
সুদুরপ্রসারী চিন্তা
আমাদের
অবশ্যই
আছে।তবে আমাদের
যা
কিছু
করতে
হয়
অনেক
সীমাবদ্ধতার মধ্যে
করতে
হয়।
কখনো
বাজেট,
কখনো
কোভিড-
অনেক
কিছু
নিয়েই
আমাদের
ফাইট
করতে
হয়।তাই
আমাদের
কিছু
বেবি
স্টেপ
নেয়া
উচিত
প্রথম।
এটা
তেমনি
একটি
পদক্ষেপ ছিল।
এখানে
আমরা
কিছু
ভুল
করব,
কিছু
শিখবো
এবং
এর
ওপর
ভিত্তি
করেই
আমরা
আমাদের
পরবর্তী দেশে
পদক্ষেপগুলো নেব।
তবে
বর্তমানে যেই
পদক্ষেপটি আমরা
নিয়েছি,
তাতে
একটি
অবস্থানে আসি
তারপর
আমরা
পরবর্তী দেশের
কথা
ভাববো।
সুকুক এদেশে একটি জনপ্রিয় ফিনান্সিয়াল প্রোডাক্ট হতে পারে
তানজিম
আলমগীর
চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার
ইউসিবি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড
‘দি রাইজ অফ বেঙ্গল টাইগার: পটেনশিয়াল অফ বাংলাদেশ ক্যাপিটাল মার্কেটস’ শীর্ষক রোড শো-এর মতো উদ্যোগ বাংলাদেশের বাইরে এই প্রথম। সাধারণত বাংলাদেশ-এর ক্যাপিটাল মার্কেটে যারা বিনিয়োগ করে থাকেন অথবা বিনিয়োগে আগ্রহী, তারা বেশির ভাগই বাংলাদেশ কেন্দ্রিক। যারা দেশের বাইরে বিভিন্ন জায়গায় আছেন, তারা রেমিটেন্স দেশে পাঠালেও, সেই অর্থ বিনিয়োগ খাতে ব্যবহৃত হয় না। তারা তাদের এই অর্থ যেন বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে সরাসরি বিনিয়োগ করতে পারেন, এমন একটি প্লাটফর্ম গড়ে তোলার দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই ইউসিবি স্টক ব্রোকারেজ এমন একটি উদ্যোগ নিয়েছে। দেশের সীমানা পেরিয়ে দেশের বাইরে থেকেও পুঁজিবাজারে ফান্ড নিয়ে আসার লক্ষেই এই আয়োজন।
দি রাইজ অফ বেঙ্গল টাইগার-এর মতো বৃহৎ
আয়োজনের
প্রস্তুতিতে
বিএসইসি
এর পাশাপাশি বাংলাদেশ
সরকারের
অবদানের
কথা অনস্বীকার্য। দুবাই-এ অনুষ্ঠিত
এই আয়োজন বাংলাদেশ
সরকারের
প্রত্যক্ষ
এবং পরোক্ষ সহযোগিতা
ছাড়া সুষ্ঠুভাবে সঞ্চালন
সম্ভব হতো না।
বিএসইসি-এর এই
উদ্যোগ যেমন পুঁজিবাজারে
বৈদেশিক
বিনিয়োগ
আকৃষ্ট করার লক্ষ্যে
আয়োজিত
হয়েছিল,
তেমন সম্পূর্ণ বাংলাদেশের
প্রেক্ষাপট
ও এই আয়োজন
দ্বারা এনআরবি বিনিয়োগকারীদের
সামনে উপস্থাপিত হয়েছে। ভবিষ্যতের বিনিয়োগের সম্ভাবনা, কেন বাংলাদেশ বর্তমানে বিনিয়োগের জন্য একটি ভালো গন্তব্য, বিভিন্ন ফিনান্সিয়াল প্রোডাক্টস এবং আরও অনেক বিভিন্ন খাত যা বাংলাদেশকে অন্যতম বিনিয়োগের খাত হিসেবে পরিণত করে- এই বিষয়গুলোও উপস্থাপিত হয়েছে। বিএসইসি এর চেয়ারম্যান প্রফেসর শিবলী রুবাইয়াত-উল ইসলাম এর নেতৃত্বে এই ধরনের চমৎকার একটি আয়োজন এবং অসাধারণ এক্সিকিউশন সত্যিই প্রশংসনীয়।
এনআরবি দের রেমিটেন্স দেশে আসলেও, নির্ভরযোগ্যতার অভাবে অথবা বিভিন্ন পরোক্ষ কারণে সেই অর্থ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ হত না। দুবাই এ ডিজিটাল বুথ স্থাপন তাদের সরাসরি বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের সুযোগ করে দিয়েছে। ইউসিবি স্টক ব্রোকারেজ এর ডিজিটাল বুথ স্থাপনের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন তারা। এই বিষয়ে আমরা তাদের থেকে অনেক ইতিবাচক সাড়া পেয়েছি। তাদের সাথে দীর্ঘ আলাপচারিতায় বাংলাদেশে বিনিয়োগের ব্যাপারে যথেষ্ঠ আগ্রহ লক্ষ্য করেছি আমরা।
দুবাই এ সাধারণ এনআরবি দের সাথে আলাপচারিতায়, বাংলাদেশে বিনিয়োগের প্রেক্ষাপট নিয়ে তাদের জানার উৎসুক্য এবং বাংলাদেশে বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ স্পষ্ট প্রকাশ পায়। এই বিষয়ে আমরা তাদের থেকে চমৎকার ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পেয়েছি। ডিজিটাল বুথ এর স্থাপনা নিয়েও তারা বেশ উৎসাহিত ছিলেন।
এনআরবি ইনভেস্টমেন্ট ছাড়াও যে সেমিনার দুটি অনুষ্ঠিত হয়েছে, তার মধ্যে সুকুক একটি। বাংলাদেশের মত মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে এটি একটি জনপ্রিয় ফিনান্সিয়াল প্রোডাক্ট হতে পারে বলে আমি মনে করি।
সূকুক একটি শরীয়াহ ভিত্তিক বিনিয়োগের সুযোগ করে দেয় বিনিয়োগে ইচ্ছুক জনগোষ্ঠীকে। বাংলাদেশে সুকুক-এর সম্ভাবনাগুলো এবং সুকুক বিনিয়োগের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জগুলো সেমিনার এ উপস্থাপন করা হয়েছে। বিভিন্ন অবাঠামোগত প্রকল্পগুলোর জন্য দীর্ঘমেয়াদী অর্থায়নের প্রয়োজনে সুকুক কীভাবে কার্যকরী বিনিয়োগের মাধ্যম হতে পারে সেই বিষয়গুলোও আলোচনার অংশ ছিল।
আমি
যখনই কোনো রেস্তোঁরা,
হোটেল বা যে
কোনো জনসমাগমে যেতাম,
লোকদের রোড শো
সম্পর্কে
সর্বত্রই
কথা বলতে শুনেছি
যা আমাকে অভিভূত
করে । লোকেরা
এই ধরনের একটি
তথ্যমূলক
অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে
পেরে সত্যিই মুগ্ধ
হয়েছিল।
তারা বাংলাদেশে বিনিয়োগের
বিভিন্ন
দিক জানতে পারে
এবং এটি তাদের
ইতিবাচকভাবে
প্রভাবিত
করে। তাদের ইতিবাচক
প্রতিক্রিয়া ব্যক্তিগতভাবে আমাকে অনেক
বেশি অনুপ্রাণিত করে
। এধরনের
উদ্যোগ সত্যি প্রশংসনীয়
।
অনলাইনের
মাধ্যমে
যারা এই ইভেন্টে
আমাদের সাথে উপস্থিত
ছিলেন, আমরা তাদের
কাছ থেকেও প্রচুর
প্রশংসনীয়
প্রতিক্রিয়া
পেয়েছি।
তারা তাদের সময়সূচি
থেকে সময় নিয়ে
আমাদের সাথে অনলাইনে
যোগদান করেছিল ।
তারা বেশ প্রভাবিত
হয়েছিল
এবং বিভিন্ন গঠনমূলক
প্রতিক্রিয়া
জানিয়েছিল।
যারা অনলাইনে যোগ
দিয়েছিলেন
তাদের জন্য একটি
মন্তব্য
বিভাগ ছিল, আমরা
তাদের সেখানে ইতিবাচক
প্রতিক্রিয়া
জানাতে দেখেছি এবং
তারা বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে
বিদেশি বিনিয়োগকে আকর্ষণ
করার জন্য দেশের
বাইরে এমন একটি
অনুষ্ঠান
করার জন্য ইউসিবি
স্টক ব্রোকারেজ এর
অনেক পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা রোড শো এবং বিনিয়োগকারী সম্মেলনে অংশ নিয়েছিলেন। বাংলাদেশ বিদেশি বিনিয়োগের একটি ভালো গন্তব্য, এখানে একটি বিশাল সুযোগ রয়েছে, যেখানে পুঁজিবাজারে বিদেশি বিনিয়োগ অর্থনীতির প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করতে এবং মেগা অবকাঠামোগত প্রকল্পগুলির সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার নিশ্চয়তা দিতে পারে। ইভেন্টটিতে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের সুযোগগুলির সমস্ত দিক উপস্থাপন করা হয়েছে যা সামগ্রিকভাবে আমাদের অর্থনৈতিক উত্থানকে সহায়তা করবে। আমাদের দ্বারা নেওয়া এই পদক্ষেপে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিথিরা ব্যাপকভাবে মুগ্ধ হয়েছিলেন।
বিএসইসি,
অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন উর্ধ্বতন
কর্মকর্তা
এবং বাংলাদেশ ও
দুবাইয়ের
ব্যাংকগুলির
শীর্ষ কর্মকর্তারা রোড
শো এবং বিনিয়োগকারী
সম্মেলনে
অংশ নিয়েছিলেন। দুবাইয়ের
বিভিন্ন
সম্প্রদায়ের
একাধিক প্রবীণ বিশিষ্টজনও
এই রোড শোতে
উপস্থিত
ছিলেন। বিভিন্ন ক্ষেত্রের
বিশিষ্ট
অতিথিরা
এই ইভেন্টটিকে একটি
তথ্যমূলক
এবং আকর্ষণীয় ইভেন্ট
হিসাবে পরিণত করেছে।
পুরো আয়োজন সফলতার
সাথে সংগঠিত হয়। আমাদের
পরিকল্পনা
অনুসারে
এটি অদ্ভুতভাবে ঘটেছে।
অংশগ্রহণকারীদের
মধ্যে বিদেশি বিনিয়োগকারী
এবং এনবিআর উভয়ের
মধ্যে উল্লেখযোগ্য আগ্রহ
ছিল, বাংলাদেশের সম্ভাবনার
বিষয়ে যা এটিকে
বিনিয়োগকারীদের
মধ্যে একটি অত্যন্ত
উন্মুক্ত
এবং আকর্ষক আলোচনার
বিষয় হিসাবে পরিণত
করেছিল।
এটি ছিল আমাদের প্রথম মাইলফলক এবং এখনও আমাদের আরও অনেক পথ অবধি যেতে হবে। নিশ্চিতভাবেই আমরা বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে ডিজিটাল বুথগুলি স্থাপনের জন্য আশাবাদী এবং বর্তমানে এর বিভিন্ন দিক নিয়ে কাজ করছি এবং সার্থকতা খুঁজে বের করার চেষ্টায় আছি। আমরা কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছে গেলে আপনাদের এই বিষয়ে বিশদ জানাব।
ড. বিজন কুমার শীল বিস্তারিত
বিপরীত স্রোত প্রতিবেদন বিস্তারিত
ডা. আহমদ মরতুজা চৌধুরী বিস্তারিত
যারিন মালিয়াত অদ্রিতা বিস্তারিত
মোহাম্মদ মাহমুদুজ্জামান বিস্তারিত
মুস্তাকিম আহমেদ বিস্তারিত
সাংবাদিক শফিক রেহমানের পুরো বক.. বিস্তারিত
উৎপাদিত মাছের প্রায় ১২ শতাংশ আ.. বিস্তারিত
বাতিলযোগ্য সাইবার নিরাপত্তা আই.. বিস্তারিত